• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

করোনায় ক্ষতির মুখে দুগ্ধ খামারিরা


লক্ষ্মীপুর টাইমস | অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: এপ্রিল ৮, ২০২০, ০১:০৬ এএম করোনায় ক্ষতির মুখে দুগ্ধ খামারিরা

করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রভাব পড়েছে দেশের গরুর খামারগুলোতে। হোটেল, রেস্তোরাঁ ও হাটগুলো বন্ধ থাকায় দুধ বিক্রি হচ্ছে আগের মতো। ফলে বিপাকে পড়েছেন হিলির খামারিরা। অনেকে বাধ্য হয়ে বাছুরকে দুধ খাওয়াচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ছানা করে রাখছেন। এমন অবস্থা চলতে থাকলে খামারগুলো বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা করছেন খামারিরা।

হিলিতে ছোটবড় সবমিলিয়ে ১৫টির মতো দুগ্ধ খামার রয়েছে। এসব খামার থেকে দুধ বিরামপুরে ব্র্যাকের চিলিং সেন্টারে সরবরাহ করা হতো। এছাড়া আশেপাশের হোটেল ও মিষ্টির দোকানগুলোতেও সরবরাহ করা হতো। কিন্তু করোনার প্রভাবে চিলিং সেন্টার দুধ কম কিনছে। হাট-বাজার এবং অন্যান্য যেসব স্থানে দুধ বিক্রি বা সরবরাহ করা হতো সেগুলো বন্ধ রয়েছে।

স্থানীয় খামারিরা জানায়, করোনার কারণে সবকিছু বন্ধ থাকায় আমার দুধ বিক্রি করতে পারছি না। আমার খামারের অধিকাংশ দুধ ব্র্যাকের চিলিং সেন্টারে দিতাম। কিন্তু তারাও এখন অনেক কম পরিমাণে দুধ নিচ্ছে। হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও মিষ্টির দোকানগুলোতে বিক্রি করতে পারছি না। আমার খামারে গড়ে প্রতিদিন ২০০-২৫০ লিটারের মতো দুধ বিক্রি করতে পারছি না। কিছু দুধ বাছুরকে খাওয়ানো হচ্ছে। আবার কিছু দুধ ছানা করে রাখা হচ্ছে। কিন্তু কতদিন এভাবে রাখবো। এমন অবস্থা চলতে থাকলে খামারের খরচ জোগানো ও শ্রমিকদের মজুরি দেয়া মুশকিল হয়ে যাবে। ফলে খামার বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না।

এ প্রসঙ্গে ব্র্যাকের চিলিং সেন্টারের ল্যাব টেকনিশিয়ান চন্দ্রন রায় বলেন, করোনার প্রভাবে মার্কেটে দুধের বিক্রি অনেকটা কমে গেছে। যার ফলে আমরা খামারিদের কাছ থেকে দুধ কেনা কমিয়ে দিয়েছি। আগে আমাদের এই চিলিং সেন্টারে ৯০০ লিটারের মতো দুধ সংগ্রহ করতাম। এখন সেখানে ৫০০-৬০০ লিটারের মতো দুধ সংগ্রহ করছি। 

উল্লেখ্য, জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) তথ্য মতে, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৬১ জন। আর, দেশে এ পর্যন্ত মৃতের  সংখ্যা ৬ জন।

Side banner