• ঢাকা
  • রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

লক্ষ্মীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, থানায় মামলা


লক্ষ্মীপুর টাইমস | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: আগস্ট ১৪, ২০১৮, ০৩:২০ পিএম লক্ষ্মীপুরে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, থানায় মামলা

লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কার্যালয়ের সেরেস্তাদার মোঃ কাবিলের পুত্র মোশারেফ হোসেন ওরফে  কাকনের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ, ভুয়া বিয়ের কাগজপত্র দেখিয়ে ও বেকারত্বের দোহাই দিয়ে নগদ অর্থসহ স্বর্নালংকার আত্মসাতের অভিযোগে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল  থানায়  মামলা রুজু করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে রুজুকৃত মামলা নং ৩১,তারিখ-২৪/০৪/২০১৮।

মামলার এজাহার ও বাদীর  জবানবন্দী সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার কালিকাপুরের অধিবাসী মোঃ কাবিল হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কার্যালয়ের সেরেস্তাদার হিসেবে চাকুরীর সুবাদে পরিবার পরিজন নিয়ে লক্ষ্মীপুর শহরের বাগবাড়ীতে অবস্থান করেন। বাগবাড়ী এলাকায় অবস্থান করা এক মহিলাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মোঃ কাবিল হোসেনের পুত্র ৩০ বছর বয়সী মোশারেফ হোসেন প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে, তারপর পিতার কর্ম এলাকা লক্ষ্মীপুর কোর্টে বিয়ের কার্য সম্পাদন করলে পিতার পেশাগত সুনাম নষ্ট হওয়ার আশংকা দেখিয়ে ঢাকায় নিয়ে দুই লক্ষ টাকা দেনমোহর ধার্য্যে একটি ভুয়া এফিডেভিটকে বিবাহ করেছে মর্মে মহিলাকে বুঝিয়ে দেয়। বেকার জীবনকে গুছিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিবাহের কথা পরিবারের নিকট জানানোর আশ্বাসে মহিলার নিকট থাকা মৃত স্বামীর রেখে যাওয়া শেষ সম্বল নগদ তিন লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং ব্যবহৃত সাড়ে ছয় ভরি স্বর্ণালংকার আত্মসাত করেই নানা অজুহাত দিতে থাকলে মহিলাটি তার আত্মীয় স্বজনকে মোশারেফের সাথে সম্পর্কের বিষয়টি জানায়। তখন মোশারেফের সম্মতিতে ও মহিলার আত্মীয় স্বজনের উপস্থিতিতে দশ লক্ষ টাকা মোহরানায় বিয়ে করবে মর্মে বিনা প্ররোচনায় একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করে মোশারেফ।

পরবর্তীতে পিতার আত্মসন্মানের অজুহাত দিয়ে মহিলাটিকে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে টালবাহানার এক পর্যায়ে গত ৮ মার্চ ২০১৮ তারিখে মোশারেফ তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে গা ঢাকা দেয়। মোশারেফের  অনুপস্থিতিতে ভূক্তভোগী মহিলা গত ২২ মার্চ ২০১৮ ইং মোশারেফ হোসেনের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছেনা মর্মে লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন।  প্রায় এক মাস অপেক্ষার পর প্রেমের অভিনয় করে ধর্ষণের উদ্দেশ্যে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে দৈহিক মেলামেশার কারণে মোশারেফ হোসেন ওরফে কাকনের বিরুদ্ধে মহিলাটি সরাসরি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেন।  অন্যদিকে থানায় মামলা দায়েরের পর মোশারেফের পিতা মোঃ কাবিল হোসেন জেলা জজ কার্যালয়ের  স্টাফের দোহাই দিয়ে সম্প্রতি মহিলাটিকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ভুক্তভোগী মহিলা আইনশৃংখলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Side banner