• ঢাকা
  • রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১২ আশ্বিন ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

আমরা কি সত্যি কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের করণীয়গুলো জানি!


লক্ষ্মীপুর টাইমস প্রকাশিত: এপ্রিল ১০, ২০২০, ০১:৩২ এএম আমরা কি সত্যি কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশনের করণীয়গুলো জানি!

করোনার এই দিনগুলোতে নতুন করে প্রতিদিনই শুনছি কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনের কথা। যেভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আমাদের কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশনের নিয়মগুলো ১০০% মেনে চলার কোনো বিকল্প নেই। 

কিন্তু আমরা কি আসলেই পুরোপুরি জানি কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন কি? আসুন জেনে নিন: 

কোয়ারেন্টাইন কথাটির অর্থ হচ্ছে, কোনো ব্যক্তির শরীরে ভাইরাস প্রবেশ করেছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাকে সবার থেকে আলাদা করে পর্যবেক্ষণে রাখা। সাধারণত হাসপাতালে এদের রাখা হয় না। 

বিদেশ থেকে কেউ ফিরলে তাদেরকে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে রাখা হচ্ছে। কারণ মহামারি করোনাভাইরাস মানুষের শরীরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই তার উপসর্গ প্রকাশ পায় না। ৫-৭ দিন পর হাঁচি-কাশি, গলা ব্যথার মতো লক্ষণের মাধ্যমে প্রকাশ পেতে শুরু করে। তাই কোনো ব্যক্তির শরীরে এই ভাইরাস আছে কিনা তা বোঝার জন্য তাকে কমপক্ষে ১৪ দিনের জন্য কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়।


আর যদি সমস্ত নিয়ম মেনে নিজেকে ঘরেই বন্দি করে রাখেন তাহলে তাকে হোম কোয়ারেন্টাইন বলা হয়। আমাদের দেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সুস্থ মানুষও নিজেদের নিরাপদে রাখতে হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। 


কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা গেলে, ওই ব্যক্তিকে হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ড সম্পূর্ণ আলাদাভাবে তৈরি করা হয় যাতে সেখান থেকে এই ভাইরাস ওই হাসপাতালের অন্য কোনো রোগীর মধ্যে সংক্রমিত না হতে পারে। এসময় রোগীকে যেমন বাইরে বেরোতে দেওয়া হয় না, তেমনি কাউকে দেখা করতেও দেওয়া হয় না।

Side banner