• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

এই প্রথম ত্রাণ ও করোনা একসাথে বিতরণ!


লক্ষ্মীপুর টাইমস | নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রকাশিত: মে ১, ২০২০, ১০:২১ পিএম এই প্রথম ত্রাণ ও করোনা একসাথে বিতরণ!

লক্ষ্মীপুরের রামগতির একটি ইউনিয়নে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত প্যানেল চেয়ারম্যান আট দিনে ধরে ত্রাণ বিলি করেছেন! গত ২৯ এপ্রিল রাতে চরগাজী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান  করোনা শনাক্ত হয়। এর আগে ২২ এপ্রিল পরীক্ষার জন্য তার নমুনা পাঠানো হয়। এই সময় তিনি ত্রাণ বিতরণ ও জনসমাগমে অংশ নেওয়া অব্যাহত রেখেছিলেন।

শুক্রবার (১ মে) রামগতি উপজেলার নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহের জন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা আসলে ঐ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের নমুনাও সংগ্রহ করা হয়।

গত ২৯ এপ্রিল রাতে তার করোনাভাইরাস পজিটিভ আসার আগে তিনি ইউনিয়নের সাড়ে ৩ হাজার জেলেদের মাঝে চাল বিতরণ করেন। ওই ইউনিয়নের ৫০০ মানুষের মাঝেও ত্রাণ বিতরণ করেন। এই সময় তার সংস্পর্শে আসেন ইউনিয়নের মেম্বার, গ্রাম পুলিশসহ কয়েক শত সাধারণ মানুষ। এমন কি ২৯ তারিখ দুপুরে তিনি এবং রামগতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন এক সঙ্গে ত্রাণ বিতরণ করেছেন।

তার ইউনিয়নের কয়েকজন নাম না প্রকাশ করা শর্তে বলেন, যখন চেয়ারম্যানের করোনা টেস্টের স্যাম্পল নেওয়া হয়েছে তখন থেকেই চেয়ারম্যানের উচিত ছিল হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা। তাহলে অন্তত অনেক লোক করোনা আশঙ্কা থেকে মুক্ত থাকতো। এখন তো আমাদের চেয়ারম্যান ত্রানের সাথে করোনাও বিলি করেছে!

রামগতি উপজেলার নির্বাহী অফিসার আব্দুল মোমিন জানান, ‘আমি জানতাম না যে প্যানেল চেয়ারম্যান করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। তার রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসার পর থেকে আমি হোম কোয়ারেন্টিনে আছি। ইউনিয়নের সকল মেম্বার গ্রাম পুলিশ ও সচিবের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। আমি নিজেও নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্যানেল চেয়ারম্যান করোনা পজিটিভ আসার কারণে ওই ইউনিয়নের করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে। ঐ ইউনিয়নের যারাই প্যানেল চেয়ারম্যানের সংস্পর্শে এসেছেন সকলকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার জন্য পরার্মশ দিয়েছি।’

রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘প্যানেল চেয়ারম্যানের সংস্পর্শে এসেছেন এমন ২৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হচ্ছে। এরপর রামগতি উপজেলার ইউএনও, এসিল্যান্ড, থানার অফিসার ইনচার্জ ও হাসপাতালের আরএমও সহ ১০ থেকে ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।’

Side banner