• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

রামগতিতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা খুব সংকটে


লক্ষ্মীপুর টাইমস | নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রকাশিত: মে ৯, ২০২০, ০৩:১০ পিএম রামগতিতে সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকরা খুব সংকটে

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে রামগতিতে লকডাউনের কবলে পড়ে কর্মহীন হয়ে পড়েছে প্রায় দুই হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চালকরা। পরিবারের প্রধান উপার্জনকারি এসব চালকরা এখন বেকার হয়ে পড়েছে।

এতে করে উপজেলার প্রায় দেড় হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ৫ শতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালকরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এছাড়া বেকার হয়ে পড়েছেন প্রায় ৮০টি লেগুনার চালক। এসব ছোট যান চালকরা দৈনিক হিসাবে গাড়ি চালান। আর সেই আয় দিয়ে তাদের পরিবারের খরচ মেটান। গত ২৬ মার্চ থেকে এসব ছোট যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চালক জামাল হোসেন জানান, দৈনিক তিনশ টাকায় ভাড়া নিয়ে অন্যের একটি ইজিবাইক চালাতেন তিনি। গাড়ীর দৈনিক ব্যয় ও মালিকের জমা দিয়ে প্রতিদিন ৪শ থেকে ৫শ টাকা আয় হতো। প্রায় দেড় মাস যাবত ইজিবাইক চলাচল বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়ে সে। এতে করে কোন উপার্জন না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বলে তিনি জানান।

উপজেলার সদর আলেকজান্ডার বাজার এলাকায় ইজিবাইকের ব্যাটারি চার্জিং স্টেশনের মালিক সাহাদাত হোসেন জানান, ইজিবাইকের একসেট (পাঁচটা) ব্যাটারির মূল্য ৫৫-৬০ হাজার টাকা। টানা এক সপ্তাহ গাড়ি না চালালে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়। গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বেশীর ভাগ ইজিবাইকের ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে।

রামগতি পৌর শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহফুজুর রহমান জানান, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেড় সহশ্রাধিক ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক এবং পাঁচ শতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিক্সার চালক রয়েছে। গত দেড় মাস যাবত যান চলাচল বন্ধ থাকায় এসব চালকদের উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে পরিবার পরিজন নিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। শ্রমিক লীগের এই নেতা আরও বলেন, খাদ্য সহায়তা পাওয়ার জন্য কিছু দিন আগে কাজ হারানো চালকদের একটি তালিকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। ওই তালিকায় থাকা চালকরা এখনও কোনো সহায়তা পাননি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন বলেন, ইতিমধ্যে ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চলাচল শুরু করেছে। এসব যানবাহনের কয়েকজন চালকদের তালিকা আমরা পেয়েছি। চালকদের নিজ নিজ এলাকার কাউন্সিলর-মেম্বারদের মাধ্যমে তাদেরকে খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এর আগে রামগতি-চট্টগ্রামের যাত্রী বাহী বাস চালক ও চালকের সহকারিকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
সূত্র: ইত্তেফাক

Side banner