• ঢাকা
  • বুধবার, ০৮ জুলাই, ২০২০, ২৪ আষাঢ় ১৪২৭
Safe Diagnostic Center
ঈদের তৃতীয় দিনে

কমলনগরে মেঘনার পাড়ে পর্যটকের ভীড় ঠেকাতে যুব সমাজের প্রদক্ষেপ


লক্ষ্মীপুর টাইমস | রনি মজুমদার; প্রকাশিত: মে ২৮, ২০২০, ০১:৫০ এএম কমলনগরে মেঘনার পাড়ে পর্যটকের ভীড় ঠেকাতে যুব সমাজের প্রদক্ষেপ

লক্ষ্মীপুর কমলনগর উপজেলার মতিরহাটস্থ মেঘনা বীচে প্রতি বছর ঈদের সময় ঘুরতে আসে স্থানীয় হাজার হাজার পর্যটক। করোনার প্রভাবে লোকসমাগমও আগের তুলনায় কম হলেও কিন্তু খুব বেশি ব্যতিক্রম ছিলনা। এই মহামারী ভাইরাসে পথিমধ্যে সকল বাধা উপেক্ষা করে ঈদের দিন থেকে গতকাল (২৭মে) পর্যন্ত মানুষের ঢল নেমেছে মতির হাটের মেঘনা নদীর তীরে। 

 

ঈদের দিন থেকে শুরু করে ঈদের তৃতীয় দিনেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয়দের অভিযোগ এ ব্যাপারে প্রশাসন বা ইউপি চেয়ারম্যানের নজরদারি কম ছিল।

গতকাল মেঘনার তীরে আগত দর্শনার্থী ও স্থানীয়দের করোনার বিস্তার থেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে এলাকার যুব সমাজ। তারা মেঘনা তীরের যাওয়ার জন্য মতিরহাট বাজারে ঢুকার পথ গাছের গুড়ি দিয়ে বন্ধ করে দেয়। 


এতে করে যারা বিভিন্ন যানবাহনে করে আসছিল তারা ফেরত চলে যায়। আর যারা পায়ে হেটে মেঘনার পাড়ে যাচ্ছিল তাদেরকে মাস্ক ছাড়া ডুক্তে দেয়নি যুব সমাজ। 


এই সচেতনতামূলক কাজে প্রথমে এগিয়ে আসেন স্থানীয়  যুবলীগ নেতা মুনসুর মোল্লা। তার দেখানো পথে সামিল হয় তারেক সহ স্থানীয় অনেক যুবক।


এতে করে মতিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখা যায়।
 জানতে চাইলে এই প্রতিবেদককে মতির হাট বাজারের ব্যবসায়ী মোঃ রহিম জানান, করোনার প্রভাব রোধে সরকার ঘোষিত লকডাউন না মেনে এই ঈদে যে সকল পর্যটক মেঘনা নদীর তীরে ঘুরতে আসছিল তাদের জন্য আমরা চরম আতঙ্ক ও ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। বলা তো যাচ্ছেনা কার মাঝে করোনা রয়েছে। 

 

মতির হাট বাজারের পল্লী চিকিৎসক তপন চন্দ্র মজুমদার বলেন, করোনা একটি ছোঁয়াছে রোগ। অথচ যারা ঘুরতে আসছিল তারা প্রায় প্রতিটি বাইকে তিনজন করে বসছিল এবং তাদের অনেকেরই মুখে মাস্ক ছিলনা, ছিলনা কোন সামাজিক দূরত্ব। আমি আমাদের স্থানীয় যুব সমাজকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি তাদের এ মহতী কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য সে সাথে প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। 

Side banner