• ঢাকা
  • বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

কমলনগরে নদীর ভাঙ্গন রোধে জঙ্গলা বাঁধে এমপির অনুদান নগন্য


লক্ষ্মীপুর টাইমস | নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২০, ০৭:৫৮ পিএম কমলনগরে নদীর ভাঙ্গন রোধে জঙ্গলা বাঁধে এমপির অনুদান নগন্য

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর ভাঙন রোধে স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে জঙ্গলা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এ বাঁধ নির্মাণের জন্য লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি ও কমলনগর) আসনের এমপি মেজর (অবঃ) আবদুল মান্নান দুই লাখ টাকা সহায়তা দিয়েছেন। 


শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে কমলনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম নুরুল আমিন ও উপজেলা বিকল্পধারার সাধারণ সম্পাদক আবু ছিদ্দিক ওই টাকা বাঁধ নির্মাণের উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর করেন।


এসময় উপস্থিত ছিলেন কমলনগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক রাকিব হোসেন সোহেল, বাঁধ নির্মাণের উদ্যোক্তা জসিম উদ্দিন, আবু তৈয়ব সবুজ, নোমান হাওলাদার, মো. আরিফ ও নুরুল আমিন পাটওয়ারী প্রমুখ।


জানা গেছে, নদী ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে রামগতি ও কমলগরের সরকারি-বেসরকারি বহু স্থাপনা। গত ২৭ বছরে প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা নদী গর্ভে তলিয়ে গেছে। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন থেকে রামগতি পর্যন্ত প্রায় ৩৭ কিলোমিটার নদী ভাঙন কবলিত এলাকা। এরমধ্যে ৫ কিলোমিটার নদী তীর রক্ষা বাঁধ থাকলেও বাকি ৩২ কিলোমিটার এলাকা অরক্ষিত রয়েছে। স্থায়ীভাবে নদীর তীর রক্ষা বাঁধ দ্রুত স্থাপন করা না গেলে কমলনগরসহ জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার আশংকা করা হচ্ছে।


এদিকে এমপির এ অনুদান অতি নগন্য বলে এলাকবাসী ক্ষোভ জানিয়ে নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন বলেন, এমপি সাহেব মাসের পর মাস ঢাকায় পড়ে থাকেন। মেঘনার ভাঙ্গনে আমাদের বাপ দাদার ভিটে বাড়ি মাইলের পর মাইল হারিয়ে যাচ্ছে। নির্বাচনের পূর্বে তার বহু প্রতিশ্রুতির মধ্যে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল নদীর ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা। কিন্তু নির্বাচনের পর আমরা এ ব্যাপারে তার কোন সঠিক ভূমিকা দেখিনি। তারা আরো বলেন যুবকদের এই জঙ্গলা বাঁধ নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধ কতটুকু করতে পারবে তা জানিনা তবে তাদের এই উদ্যোগটি প্রশংসনীয় এবং নদীর ব্যাপক ভাঙ্গনে  এমপির নিষ্ক্রিয় ভূমিকার বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ।


উল্লেখ্য যে, ভাঙন থেকে কমলনগর উপজেলার চরকালকিনি ইউনিয়নের নাছিরগঞ্জ বাজার রক্ষায় যুব সমাজের উদ্যোগে প্রায় ১ হাজার ফুট জঙ্গলা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে।

Side banner