• ঢাকা
  • বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

এ যেন জলের মধ্যে ভাসমান বিদ্যালয়


লক্ষ্মীপুর টাইমস প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২০, ০৩:৪১ পিএম এ যেন জলের মধ্যে ভাসমান বিদ্যালয়

লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে বাজার ঘাট মসজিদ মন্দিরসহ লোকালয়  প্রায়ই প্লাবিত হচ্ছে।

আর অস্বাভাবিক জোয়ারে ও বৃষ্টির পানিতে গত ৬ দিন ধরে ভাসছে ডা. আবদুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসেট অফিস ও শ্রেণিকক্ষ। এতে আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
 

বিদ্যালয়টি সদর উপজেলার চররমনি মোহন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। ওই এলাকাতে এটিই একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মেঘনা নদীর সংযোগ খালের পাশেই হওয়ায় জোয়ারের পানিতে বিদ্যালয়টি প্রায় ৪ ফুট ডুবে থাকে।

 

জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৯ জন শিক্ষক ও ২৬০ শিক্ষার্থী রয়েছে।

 

লক্ষ্মীপুর ডা. আব্দুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, সদর উপজেলার মেঘনা নদী এলাকায় এটি একমাত্র বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
 

মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে বিদ্যালয়ের অর্ধেক পানির নিচে ডুবে থাকে। এতে আসাবপত্রগুলো ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এসব ক্ষয়ক্ষতি স্থায়ীভাবে সমাধান করতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের আবেদন শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে বাজার ঘাট মসজিদ মন্দিরসহ লোকালয়  প্রায়ই প্লাবিত হচ্ছে।

আর অস্বাভাবিক জোয়ারে ও বৃষ্টির পানিতে গত ৬ দিন ধরে ভাসছে ডা. আবদুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের টিনসেট অফিস ও শ্রেণিকক্ষ। এতে আসবাবপত্রের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।
 

বিদ্যালয়টি সদর উপজেলার চররমনি মোহন ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। ওই এলাকাতে এটিই একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়। মেঘনা নদীর সংযোগ খালের পাশেই হওয়ায় জোয়ারের পানিতে বিদ্যালয়টি প্রায় ৪ ফুট ডুবে থাকে।
 

জানা গেছে, ২০১৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে ৯ জন শিক্ষক ও ২৬০ শিক্ষার্থী রয়েছে।
 

লক্ষ্মীপুর ডা. আব্দুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, সদর উপজেলার মেঘনা নদী এলাকায় এটি একমাত্র বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
 

মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে বিদ্যালয়ের অর্ধেক পানির নিচে ডুবে থাকে। এতে আসাবপত্রগুলো ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। এসব ক্ষয়ক্ষতি স্থায়ীভাবে সমাধান করতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের আবেদন শিক্ষক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।

Side banner