• ঢাকা
  • বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১৫ আশ্বিন ১৪২৭
Safe Diagnostic Center

লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের শ্রমিক সর্দারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ


লক্ষ্মীপুর টাইমস | নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২০, ০৮:৩৭ এএম লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের শ্রমিক সর্দারের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির শ্রমিক সর্দারের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে শ্রমিক সর্দার মো. সবুজ এ অভিযোগ করেন। শ্রমিক সর্দার তিন লাখ টাকা দিতে চাইলেও আরও বেশি টাকার দাবিতে নিচ্ছেন না ওই দুই নেতা।

 

ভুক্তভোগী মো. সবুজ জেলা শহরের মজুপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলালের আত্মীয়। ছাত্রলীগ নেতা ও তাদের অনুসারীদের ভয়ে সবুজ আত্মগোপনে রয়েছেন।
 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পল্লীবিদ্যুতের কাজের দায়িত্ব পাওয়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিক সর্দার সবুজকে খুঁটি আনা-নেয়ার কাজ দেয়। সেই সুবাদে সবুজ নিয়মিত খুঁটি আনা-নেয়া করছেন। কিন্তু হঠাৎ করে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান অনুসারীদের নিয়ে পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয়ে সবুজকে খুঁজতে হানা দেন। একপর্যায়ে তারা সবুজের কাছে চাঁদা দাবি করেন। ঘটনাটি সবুজ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন বকুলকে জানান। পরে জেলা ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে তিন লাখ টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু টাকা দিতে গেলে ছাত্রলীগের নেতারা তা নেননি।
 

ছাত্রলীগ নেতাদের দাবি, আরও লোকজন আছে, টাকার পরিমাণও বাড়াতে হবে। এ নিয়ে বিপাকে পড়ে সবুজ লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শাহজাহান কামাল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল ও জেলা শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক মামুনুর রশিদকে বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছেও জেলা নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়।

এদিকে চাহিদামতো চাঁদা দাবি করে না পেয়ে শ্রমিকদের থেকে খুঁটিপ্রতি ১০০ টাকা হারে নিচ্ছেন ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের অনুসারীরা। লক্ষ্মীপুর পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি কার্যালয় থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে সাহাপুর এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো রাখা হয়েছে। সেখান থেকে খুঁটিগুলো কর্মস্থলে নেয়ার সময় শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
 

জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান বলেন, আমি সবুজ নামে কাউকে চিনি না। কে বা কারা চাঁদা চেয়েছে আমরা জানি না। চাঁদা দাবির ঘটনায় আমরা কেউ জড়িত নই।
 

লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল বলেন, ভুক্তভোগী আমার আত্মীয়। বিষয়টি দলের সিনিয়র নেতারাও জেনেছেন। এটি দুঃখজনক।

Side banner